Friday, September 14, 2012

HELLO!!!

                     MY DEAR FRIENDS

Friday, January 30, 2009

নারীর অধীকার

আমরা নারী আমরাও পারি

করতে সব কিছু

নারীরা আর থাকবেনা বসে

অসহায় আর নিপীরনের বেসে।

 

নারী কেন থাকবে শিক্ষা বঞ্চিত

নারী ও পুরুষের জন্য শিক্ষা অন্তরহীত

নারী সমাজের অর্ধ অঙ্গ

ওরা না থাকলে সমাজ পঙ্গু।

 

নারীর জাগরনে জাগতে হবে

নিজেদের স্বাধীন ভাবতে হবে

ওরা চায়না আর অবহেলা

চায় শুধু একটু মর্যাদা।

 

পুরুষ ও নারী উভয় মানুষ

বুঝেনা কেন সমাজের পুরুষ

আজকের এ সমাজ সংসারে

দাশী হয়ে আছে কেন নারীরা।

 

নারীরাও পারে ধরতে হাল পুরুষের সমপায়

নারী যদি থাকে বসে ঘরে চলবেনা এ সমাজ

তাই নারীদের কেও দিতে হবে

পুরুষের মত সম অধীকার।

 

নারীরাই পারে গরতে, বিশ্ব জয় করতে

নারীদের এই মত নারী রাই হল সব।

মায়ের আদর

মানুষ আমায় ভালোবাসে, আমি বাসি কাকে?

ভালোবাসি সবচেয়ে আমি আমার স্নেহময়ী মাকে,

মাও আমায় ভালোবাসে আবার দুষ্টমিতেও বকে

তবুও আমি ভালোবাসি আমার প্রানপ্রিও মাকে।

 

মাযে আমার চোখের মনি মাযে কাজল রেখা

মাযে আমার চাদের আলোর সবটুকু ভালোবাসা,

পৃথিবীতে সবাই বেসি ভালোবাসে যাকে

সে হল তাদের নিজ নিজ মাকে

আমিও তেমনি ভালোবাসি আমার দরদিনী মাকে।

 

আমার বুকের মধ্যখানে মায়ের ছবি আকাঁ

থাকবে চিরকাল শুধুই তা আকাঁ,

মায়ের পরষ টুকুপেলে ছারতে পারি আমি সবি

আমার মায়ের সপ্ন হল আমি হব একদিন বড় একজন কবি।

 

মাগো তুমি অনেক দামি নীল আকাশের চাদঁ

তোমায় দেখলে মেটে আমার আকুল প্রানের সাধ,

মাগো তোমায় যত দেখি ততই মধুর লাগে

তোমায় দেখলে মনটা আমার সুখি হয়ে জাগে।

 

তোমার মত এত আদর কোথায় বল পাই

তাইতো আমি সারাজীবন তোমার আদর চাই,

মাগো তুমি সবার সেরা তুলনা তোমার নাই

তোমার মত এমন মা কোথায় বল পাই।

 

নামাজ

নামাজ পর নামাজ পর

তোমরা সবাই নামাজ পর

নামাজ পর পাঁচ ওয়াক্ত

খোদার পথের হও তোমরা ভক্ত

 

খোদার পথের জিহাদ কর

তোমরা সবাই নামাজ পর

নামাজই হবে বেহেস্তে যাবার চাবি

জান্নাতে যাওয়ার পথ দিশারি

 

নামাজেই পুলিসরাত পার হবি

নামাজেই পাবি খোদার পথ

সবাই মিলে নামাজ পর।

 

Tuesday, January 27, 2009

First time I went to a Far Place & Enjoyed Freely

Some days ago we went to Rarikhal at Bikrompur. There are Jogodish Chondro Basu’s home, school & college. There we went total nine people. First time I went to any far place without my mother. So I really enjoyed that situation. At first every person came to our office (Nari Jibon). We went there by bus. We reached at Bikrampur within two hours. The place was very beautiful. So we took some beautiful scenery’s pictures. There we had more fun. First time I enjoyed freely. We took a Nari Jibon’s student’s mother as our guardian. Her home district is Bikrampur. We took her with us because she knows the place very well. After taking some pictures we went to Srinogor and visit the river of Padma. There we also made Fun. After that we started our journey for Dhaka. We had a great fun there. That’s why we will again make a plan to go there. I wish we will go there soon.













Picture by Rahima Akter Hira
picture by Taslima Toma(Computer teacher)
Picture by Choiti


Monday, January 26, 2009

আমার ইচ্ছা

 

আমার যেতে ইচ্ছা করে নদীটির  ওই পারে

মাটির ঘরে সেথায় থাকে ছোট্র রাখাল ছেলে

তার একটি গাভী আছে রং টি হল লাল

গাভীটি যে শুধু খায় কাচাঁ মরিচেঁর ঝাল।

 

আমার যেতে ইচ্ছা করে চাদেঁর দেশের চরে

সেথায় থাকে একটি বুড়ি সাদা শাড়ি পরে।

 

 আমার যেতে ইচ্ছা করে নীল সাগরের তীরে

সেথায় নাকি বসত করে মত্স রাজার মেয়ে।

 

আমার যেতে ইচ্ছা করে আকাশটির ওই পারে

পাখির সাথেই পাখি হয়ে উড়রো নীলান্তরে

সেইখানেই বাধতাম বাসা বাবুই পাখির মত

বাবুই হয়েই গাইতাম গান ময়না পাখির মত।

 

 

Tuesday, January 6, 2009

Tuesday, December 30, 2008

New Year Card(Happy New Year)

Happy New year for all viewers.
Make a new beautiful life in New Year 2009.

Wednesday, December 24, 2008

Monday, November 17, 2008

Friday, November 14, 2008

Thursday, November 13, 2008

Tuesday, November 11, 2008

Wednesday, October 8, 2008

আমার গ্রামের ঈদ

প্রত্যেকটি মানুষেরই কোন না কোন পছন্দনীয় জায়গা থাকে ঘোরার জন্য সে জায়গাটা হতে পারে বিভিন্ন ধরনের। তেমনি আমারও পছন্দের জায়গা হল গ্রাম। গ্রাম আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। ভালো লাগলেও কিছু করার নেই কারন আমরা আমাদের গ্রামে খুব কম যাই। আমাদের গ্রামের বাড়ি হচ্ছে বরিশাল। বরিশাল অনেক দুরের পথ বাস দিয়ে যাওয়া যায় আবার লঞ্চে করেও যাওয়া যায়। তাই আমার মা আমাদের গ্রামের বাড়ি যেতে চায় না, দুরের পথে যেতে অনেক ভয় পায়। আমরা ঢাকাতেই থাকি গ্রামে খুব কম যাওয়া হয় বলতে গেলে যাওয়াই হয় না। আমাদের বাড়ির পাশেই আমার খালা বাড়ি, বেশি হলে পাচঁ থেকে ছয় মিনিট লাগে খালা বাড়ি যেতে। দৈনিক একবার হলেও খালা বাড়ি যাই। আমার খালা প্রত্যেক মাসে একবার হলেও তার শশুর বাড়ি কুমিল্লায় যায়। আসছে রোজার ঈদ শুনলাম এবার ঈদেও খালা সহ খালার পরিবারের সবাই কুমিল্লা যাবে। তখন ভাবলাম তারা সবাই যদি কুমিল্লা যায় তাহলে আমরা ঢাকায় একা থেকে কি করব? তাই আমি মাকে বললাম, মা চল আমরা মামী বাড়ী যাই এবার ওখানেই আমরা ঈদ করব। আমার মামী থাকে তার বাবা-মার সাথে কারণ আমার মামা অনেক আগেই মারা গেছে তাই ভাবলাম ঈদের দিন মামীর মনটা হয়তবা খারাপ থাকবে। তাই আরো বেশি ইচ্ছে হল যাবার। মামীর বাড়ি জয়দেবপুর ছাড়িয়ে আরো অনেক দূরে, গ্রামটির নাম প্রহলাদপুর। ওখানে আশেপাশে

অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা রয়েছে ঘুরে দেখবার জন্য। সেখানে দেখার মত আরেকটি সুন্দর দৃশ্য হল মাটির ঘর। প্রত্যেকেই মাটির ঘরে বসবাস করে। অনেকের বাড়ি দোতলা পর্যন্ত মাটি দিয়ে তৈরি করা। মাটির ঘরে থাকতে আমার কাছে অনেক মজা লাগে। সবচাইতে বেশি আমি আমার মামী বাড়ি বেড়িয়েছি আমার নিজের গ্রামের বাড়িতেও আমি এতটা বেড়াইনি। তারপর আমি মাকে রাজি করালাম মামীর বাড়ি যাবার জন্য। মা রাজি হল কিন্তু বলল, ঈদের দিন সকালে যাবে তাতেও আমি রাজি হলাম। তারপর গেলাম মামী বাড়ি। মা তাদের জন্য কিছু ঈদের বাজার নিয়ে গেল। সেখানে গিয়েই সবার আগে সব গুরুজনদের সালাম করলাম। সবাই আমাদের দেখে অনেক খুশি হল। সেখানে ঈদের একটি বিশেষ খাবার হল বিভিন্ন ধরনের পিঠা আর সাবুদানার পায়েস। অন্যান্ন আয়োজন থাক বা না থাক কিন্তু পিঠার আয়োজন থাকবেই। আমারও পিঠা অনেক পছন্দ। তারপর মামী একবাটি পিঠা এনে দিল আমাদের সামনে। খেলাম, খাবার পর মামীর ছোট বোন, নাম লিমা তার সাথে গেলাম মামীর খালার বাসায়। সেখানে যাবার পর মামীর খালাও সেই একই খাবার নিয়ে এল, পিঠার এককোনা থেকে আমি একটু পিঠা ভেঙ্গে নিয়ে খেলাম, না খেলে যদি রাগকরে তাই। তারপর মামীর খালা বাড়ি থেকে এসে পরলাম মামীদের বাড়ি। সেখান থেকে আসার পর মামীর ছোট বোন লীমা আর একটি বোনের নাম রজিনা আর আমি গেলাম লীমার এক বান্ধবির বাসায়। লীমার বান্ধবির বাড়ি মামীদের বাড়ি থেকে অনেক দূরে। আমরা তিনজনে মিলে হাঁটা ধরলাম, হাঁটতে হাঁটতে আমাদের পা ব্যাথা হয়ে গেল, কিন্তু আবার মজাও লাগছিল কারণ রাস্তাটা ছিল সমপূর্ণ ফাঁকা। রাস্তাদিয়ে তিনজনেই অনেক মজা করতে করতে একসময় লীমার বান্ধবির বাসায় চলে গেলাম। তারপর লীমার বান্ধবিকে নিয়ে আবার হাঁটা ধরলাম মামীদের বাড়িতে আসার জন্য। আসার সময় আরো মজা করলাম চারজনে মিলে আমি, রোজিনা, লীমা আর ওর বান্ধবি। লীমার বান্ধবি অনেক ভালো গান গাইতে পারে অনেক সুন্দর কণ্ঠ। চারজনেই হাটছি, লীমা ওর বান্ধবিকে বলল গান গাওয়ার জন্য। তারপর অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু গান গাইল, চারপাশে কি সুন্দর গাছপালা, চারদিক ফাঁকা সুন্দর মিষ্টি বাতাস আর টিপ টিপ বৃষ্টি এর মাঝে আবার গান, কতইনা ভালো লাগছিল আমি তা লিখে বোঝাতে পারব কিনা তা যানি না। এ প্রথম জীবনে আমি ঈদকে এতো উপভোগ করেছি আর এ প্রথম বার আমি ঈদ গ্রামে করেছি তাই হয়তোবা ঈদটাকে আরো বেশি উপভোগ করতে পেরেছি। আমি জানি না আর কখনও এরকম ভাবে কোন ঈদ পালন করতে পারবো কিনা। আমরা চারজন চলে এলাম বাড়িতে। বাড়িতে আসার পরই শুরু হল প্রচন্ড বৃষ্টি। তারপর আর ঘুরতে যেতে পারিনি বাহিরে। সারাটি দিন ভর বৃষ্টি হল। বৃষ্টিটা যখন একটু কমলো তখন লীমার বান্ধবি ওদের বাসায় চলে গেল। তারপর একসময় সন্ধ্যা হয়ে এল রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে গেলাম। বৃষ্টির পানি পরছে ঘড়ের টিনের চালের উপরে আর শব্দ হচ্ছে, যেন নুপুরের শব্দ। মনে হচ্ছে কে যেন নুপুর পায়ে হাটছে টিনের চালের উপর। তারপর কখন যে ঘুমিয়ে পরেছি মনে নেই। রাত কেটে আবার সকাল হল মা বলল তৈরি হবার জন্য, ঢাকা ফেরা লাগবে বলে। মামী আবার পিঠা দিল খাবার জন্য, পিঠা খেয়ে আমরা তৈরি হয়ে রওনা দেব এমন সময় মামী বলল আরো কিছুদিন থাকতে কিন্তু মা রাজি হল না। সবাই আমাদেরকে অনেকটা পথ এগিয়ে দিয়ে গেল। তারপর আমরা ঢাকার বাসে উঠি একসময় আমরা ঢাকায় এসে পরলাম তারপর আবার সেই আগের মত। সবই আগের মত চলছে কিন্তু এখন আমার থেকে থেকে মনে হয়, হারানো দিনটি কি আর ফিরে পাবো? এ কী সম্ভব? আমি জানি না আর কখন আমার মামী বাড়ি গিয়ে কোন ঈদ করতে পারবো কিনা বা অন্য কোন গ্রামে...

Saturday, September 27, 2008

Eid Card


Happy Eid Mubarak for all viewers. Many many happy returns of this day.

Saturday, September 20, 2008

Mother's child

Mothers can do anything for their child .Now I am living in a place & a family lives beside at my home. The family consists of four members. The couple has two children. One is daughter named Jafrin her age is three & another is a son named Jisan his age is nine month. Jisan's father is a businessmen & his mother is a housewife. Some days ago jisan was very sick suffered from Diarrhoea. Jisan's father & mother started thinking for their child. After that Jisan's father went to a doctor & that doctor gave some medicines to jisan's father. But Jisan became weaker. Yet his belly's problem has not solved. Then doctor give some tips for jisan's mother that she can not eat vegetable curry, fish curry, and fry foods like Iftary items because now is Ramadan month. So Jisan's mother does not eat this items but jisan's father eats everything. He has not obstructed because he is a father, not a mother. Some days Jisan's mother wake up full night for jisan & jisan's father sleep full night. Jisan's mother just eats rice & bitter gourd, not any other foods.So I think a mother can do anything for her child but a father can not do.






Friday, September 12, 2008

My friend: My younger brother

We are three brothers & sister. My elder brother’s name is Rasel & my younger brother’s name is Rana. When I was 10, my elder brother was 12 & my younger brother was 7 years old, we lived with my grandfather’s home (Nana-Nani). When my mother was a service holder she lived at Mirpur & she paid monthly for us to grandfather. My younger brother is Rana. I & my younger brother always are friendly. If he has any problem always he shares with me about his problem. I also share my problem with him. Rana gets angry so quickly. One day my grandfather - grandmother & my cousin go to tangail to visit my younger aunt’s home. Rana wanted to go with them but they did not accept him. After that they went to Tangail.

My aunt made some cakes (Vapa pitha). We were present just four people at my grandfather’s home. After completing cake my aunt was looking for my younger brother to give him cake. But nobody saw my younger brother. We were in tension for my younger brother. My grandfather house has a small room; there my younger uncle (Mama) lives. Suddenly load shedding problem started. After the load shedding my uncle room’s light was off. At that time my uncle was not at home. After the turn on light my younger uncle (Mama) looked behind & saw my younger brother was hanging on rope. After that my mother came from Mirpur & also my grandfather-grandmother returned from Tangail. Many polices came to my grandfather’s home & took my younger brother for postmortem. After one day we got my younger brother's dead body. My mother was crying like made. We were also same. I don’t know, why rana died by hanging? After my younger brother’s death I didn't go to my uncle's room. I lost my younger brother, who was so friendly to me. Always I miss my younger brother.